Logo

এই সেই ফাহিমের খুনি

Daily Bangladeh / ১০০ বার দেখা
আপডেট : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২০

নিউ’ইয়র্কের ম্যান’হাটন এলা’কার নিজ অ্যাপার্ট’মেন্টে খুন হন বাংলা’দেশের রা’ইড শেয়া’রিং অ্যাপ পাঠা’ওয়ের সহ-প্রতি’ষ্ঠাতা ফা’হিম সা’লেহ। পুলিশ বাসা থেকে ফা’হিমের ক্ষত-বিক্ষত মর’দেহ উ’দ্ধার করে।

জা’না গেছে, পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ায় ফা’হিম সালে’হকে হত্যা করে তার সা’বেক ব্যক্তি’গত সহ’কারী টাই’রেস ডে’ভন হাস’পিল। পু’লিশ সূত্রের বরাতে মার্কিন সংবাদ মাধ্যম ওয়া’শিংটন পোস্ট এ খবর জানি’য়েছে।

প্রতি’বেদনে উ’ল্লেখ করা হয়, ২১ বছর বয়সী হাস’পিল দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে ফাহি’মের আরেক প্রতি’ষ্ঠান অ্যাড’ভেঞ্চার ক্যাপি’টেলে ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন। এই সময়ের মধ্যে ফাহিমের কাছ থেকে সে ৯০ হাজার ডলারেরও বেশি অর্থ আত্মসাৎ করেন, যা ফাহিম একটা সময় জানতে পারেন।

কিন্তু তিনি পুলিশকে না জানিয়ে বরং সহকারী হাসপিলকে অর্থ ফেরত দেয়ার জন্য চাপ দেন। এরপরই এ হত্যাকাণ্ডটি ঘটে।

তদন্তকারীরা জানান, ফাহিমকে খুন করা হয়েছে সোমবার। আর ম্যানহাটনে ২২ কোটি ডলারে কেনা তার বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে মরদেহ পাওয়া যায় পরদিন মঙ্গলবার।

পুলিশকে উদ্ধৃত করে সংবাদ মাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, অ্যাপার্টমেন্টের নিরাপত্তা ক্যামেরায় দেখা যায় যে কালো স্যুট এবং কালো মাস্ক পরা একজন ব্যক্তির সঙ্গে একই লিফটে প্রবেশ করেন ফাহিম সালেহ। লিফট ফাহিম সালেহ’র অ্যাপার্টমেন্টের সামনে দাঁড়ালে দুজনেই সেখান থেকে বের হয়ে যান।

এরপর ফাহিম সালেহ তার অ্যাপার্টমেন্টে প্রবেশ করেন। তখন সেই ব্যক্তি ফাহিম সালেহকে অনুসরণ করে। এরপর দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়।

তদন্ত কর্মকর্তারা বলছেন, ফাহিমকে হত্যার পর তারই ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে হাসপিল হত্যার স্থান পরিষ্কার করার জন্য উপকরণ কেনেন। পরদিন তিনি আবার অ্যাপার্টমেন্টে ফিরে মরদেহ ইলেকট্রিক করাত দিয়ে খণ্ড-বিখণ্ডে করেন এবং স্থানটি পরিষ্কার করেন।

লিফটের ভেতরে থাকা ক্যামেরায় দেখা গেছে, হত্যাকারী তার অবস্থানের চিহ্ন মুছতে ব্যাটারিচালিত একটি পোর্টেবল ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার করেছেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/


এই বিভাগের আরও খবর

বিজ্ঞাপন

Theme Created By ThemesDealer.Com